ইআরএফের নিজস্ব কার্যালয় উদ্বোধন

প্রায় দুই যুগের পথচলা শেষে একটা নিজস্ব ঠিকানা নিশ্চিত করেছে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম-ইআরএফ। ঢাকার ৮৭ পুরানা পল্টন লাইনে স্থাপিত হয়েছে সংগঠনের নিজস্ব কার্যালয়। আর এ কার্যালয়কে ঘিরে ইআরএফ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা এগিয়ে চলছে।

আজ ৩১ মে, ২০১৭ তারিখে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ইআরএফ কার্যালয় উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির।

ERF Office inauguration.jpg

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. ফরাস উদ্দিন, ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন, চ্যানেল আই এর বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ, পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব শামসুল আলম, ইন্স্যুরেন্স ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রেগুলেটরি অথরিটির (আইডিআরএ) চেয়ারম্যান মো. শফিকুর রহমান পাটোয়ারী, বাংলাদেশ ব্যাংকের উপদেষ্টা এস কে সুর, ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) সভাপতি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিআইয়ের সহ-সভাপতি মুনতাকিম আশরাফ, ইআরএফের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে ইআরএফের সাবেক ও বর্তমান নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেন, “দশ বছর বয়সে সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে আমার পরিচয়। তখন থেকেই এ পেশার চ্যালেঞ্জ দেখেছি। ১৯৮২ সালে প্রথম মন্ত্রী হওয়ার পর অর্থনীতির বিষয় মানুষের মধ্যে আগ্রহ দেখিনি। ২০০৯ সালে দ্বিতীয়বার মন্ত্রী হওয়ার পর অর্থনীতি নিয়ে কাজ করা সাংবাদিকদের সঙ্গে পরিচয় হয়। বর্তমানে বাজেট প্রণয়নেও সাংবাদিকরা প্রাক বাজেটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।”

আগামী তিন বছর পর ভিশন-২০২১ বাস্তবায়নে ইআরএফ সদস্যরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

রাজধানীর বিজয়নগরে ইকনোমিক রিপোর্টার্স ফোরামের নতুন কার্যালয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। রাজধানীর বিজয়নগরে ইকনোমিক রিপোর্টার্স ফোরামের নতুন কার্যালয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। মুহিত বলেন, “নিজস্ব কার্যালয় ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে নতুন ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের পাশাপাশি পেশাগত মান বাড়িয়ে অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে ইআরএফ।”

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির বলেন, “অর্থনীতি নিয়ে কাজ করা সাংবাদিকরা আর্থিক খাতের কঠিন বিষয়গুলো মানুষের কাছে সহজভাবে উপস্থাপন করছে। সরকারের নিয়ন্ত্রকদের সঙ্গে এ সাংবাদিকরা ভূমিকা রাখছে।”

২০২৪ সালে রপ্তানিমুখী অর্থনীতির ভিত্তি তৈরি হবে মন্তব্য করে তিনি বলেন, “সাংবাদিকরা এ সময়ের আগেই তাদের দক্ষতা আরো বাড়িযে এক্ষেত্রে ভূমিকা রাখবে।”

স্বাগত বক্তব্যে ইআরএফ সভাপতি সাইফুল ইসলাম দিলাল বলেন, “অর্থনীতির সাংবাদিকদের বেসিক জায়গায়টাকে শক্তিশালী করতে ইআরএফ কাজ করবে। বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচির জন্য অন্যের কাছে না ঘুরে নিজেদের কার্যালয়কেই ব্যবহার করতে পারবে।”