খাদ্য অধিকার আইন প্রণয়ন এখন সময়ের দাবি

খাদ্য নিরাপত্তার জন্য সামাজিক নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি থাকা সত্ত্বেও দেশের মোট জনসংখ্যার ১২.৯ শতাংশ অতিদরিদ্র ২ কোটি এবং দরিদ্র ২ কোটিসহ মোট ৪ কোটি মানুষ (২০১৬ সালের বিবিএস-এর তথ্যানুযায়ী), যার অর্ধেক বেশি কম ও অপর অর্ধেক অল্প কম খেতে পায়। প্রধানত এ জনগোষ্ঠীই দরিদ্র বলে প্রয়োজনীয় খাদ্য ও পুষ্টি পায় না। অপরদিকে, সমাজে আয়-বৈষম্যের কারনে শীর্ষ ১০ ভাগ ধনী পরিবারের আয় মোট জাতীয় আয়ের ৩৮ শতাংশ এবং নি¤েœ অবস্থানকারী ১০ ভাগ অতি দরিদ্র জনগোষ্ঠী মোট জাতীয় আয়ের মাত্র ১ শতাংশের মালিক। এ পরিস্থিতি দেশে সকল মানুষের মৌলিক অধিকারÑ খাদ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা, বস্ত্র ও বাসস্থান প্রতিষ্ঠার বিষয়কে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন করে তুলেছে। উপরোক্ত প্রেক্ষাপটে অবিলম্বে ‘খাদ্য অধিকার আইন’ প্রণয়নে উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে অতিদরিদ্র ও দরিদ্র মানুষের খাদ্য ও পুষ্টি অধিকার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। ২১ জুলাই ২০১৯ ঢাকার ইকনোমিক রিপোর্টার্স ফোরাম মিলনায়তনে ইকো কোআপারেশন-এর সিভিক এনগেজমেন্ট এলায়েন্স প্রোগ্রাম ও ক্রিশ্চিয়ান-এইড এর সহায়তায় খাদ্য অধিকার বাংলাদেশ ও ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম আয়োজিত ‘খাদ্য অধিকার আইন প্রনয়ণে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক এক সংলাপে বক্তারা এসব কথা বলেন। ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম-এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সংলাপে খাদ্য অধিকার আইন প্রনয়ণে গণমাধ্যমের ভূমিকা বিষেয়ে উপস্থাপনা তুলে ধরেন খাদ্য অধিকার বাংলাদেশ-এর সাধারণ সম্পাদক ও ওয়েভ ফাউন্ডেশন-এর নির্বাহী পরিচালক মহসিন আলী। আয়োজকদের পক্ষে বক্তব্য প্রদান করেন ইকো কোঅপারেশন-এর লবি এ- এডভোকেসি এক্সপার্ট আরশাদ সিদ্দিকী, ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম-এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান, গাজী টেলিভিশন-এর প্রধান প্রতিবেদক রাজু আহমেদ, জনকন্ঠের কাওসার আহমেদ, বিশেষ প্রতিনিধি ফাইন্যান্সিয়াল এক্স্রপ্রেস-এর দৌলত আখতার মালা, ইত্তেফাক-এর ষ্টাফ রিপোর্টার রিয়াদ হোসেন, সময় টিভির জুবায়ের ফয়সাল, যুগান্তরের মুনীর হোসেন, বণিক বার্তার সানোয়ার শাহীন, এস এ টিভির বিজনেস সম্পাদক সালাহাউদ্দিন বাবলু, ইউএনবি-এর সদরুল হাসান সংলাপের মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। সংলাপ সঞ্চালন করেন ইআরএফ সাধারণ সম্পাদক এস এম রাশিদুল ইসলাম।